Sunday, December 15, 2019

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১ - সিদ্ধার্থ সিংহ -- ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২ - সিদ্ধার্থ সিংহ -- ক্লিক করুন 

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ  -- ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন

 বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ  -- ক্লিক করুন

 বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ১০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক  করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন

Bangla Sahitya

সেখান থেকে ফিলিপাইন দ্বীপে স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য। পাশাপাশি চিনও চলাতে লাগলেন কারবার। জোশুয়ার নাম ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। এখন তাঁর টাকা পয়সার আর ততটা চিন্তা নেই। তাই ছোটবেলা থেকে যে স্বপ্ন তিনি দেখতেন, সেটার দিকে মনোনিবেশ করলেন। বললেন, এ বার তিনি জাহাজ নিয়ে পৃথিবী ঘুরতে যাবেন। তবে একা। কাউকে সঙ্গে নেবেন না তিনি।


তার কথা শুনে অনেকেই বারণ করেছিল। বলেছিল, এই ভাবে ঝুঁকি নেওয়া ঠিক নয়। সমুদ্রে হঠাৎ হঠাৎ কত রকমের বিপদ সামনে এসে দাঁড়ায়। সঙ্গে কেউ না থাকলে বিপদের সময় কে পাশে এসে দাঁড়াবে তাঁর? কিন্তু যার রক্তে রয়েছে সমুদ্র, তাকে আটকাবে কে !


আঠারোশো সাতানব্বই সালের একটি শুভ দিন দেখে এক মাস্তুলের পালতোলা ছত্রিশ ফুট লম্বা স্লুপ জাহাজ, যার নাম--- স্পে, তিনি সেটা নিয়ে ভেসে পড়লেন উত্তর অতলান্তিকের জলে। বন্দরে বন্দরে তার চেনা লোক। যে বন্দরেই যান, সেখানেই বিপুল অভ্যর্থনা পান।


দারুণ ভাবে দিন কাটতে লাগল তার। তবে কি কোনও বিপদ আপদ ঘটেনি! ঘটেছে। মরক্কোর কাছে জলদস্যুরা তাকে তাড়া করেছে, বেশ কয়েক বার প্রবল ঝড়ের মুখে পড়েছেন, ম্যাজেলান স্টেট অঞ্চলে একদল অসভ্য জাতি তাঁর জাহাজে প্রায় আক্রমণ করেছিল আর কী। একবার তো সারগাসো সাগরে প্রায় সপ্তাহখানেক তাকে আটকে থাকতে হয়েছিল।


তবু যাবতীয় সমস্যাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রায় বছর খানেক বাদে ছেচল্লিশ হাজার মাইল ঘুরে অবশেষে আঠারোশো আটানব্বই সালে তিনি দেশে ফিরে এলেন। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ল স্নোকামের নাম। তখন কত লোকের কত আবদার। কেউ বলেন, তোমার এই সমুদ্র যাত্রার অভিজ্ঞতা লিখে আমাদের খবরের কাগজে দাও। আমরা ধারাবাহিক ছাপব।

কেউ ডাকেন তাঁদের শহরে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য। কেউ বলেন, তুমি আর একবার সমুদ্র অভিযানে যাও। যা খরচাপাতি লাগে আমরা দেব। তবে একটা কথা, সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখে কিন্তু আমাদের প্রকাশনাকেই দিতে হবে।


এই ভাবে প্রতিদিনই সবাই এত বিরক্ত করছে যে,কাউকে কিছু না বলেই তিনি একদিন তার স্প্রে নিয়ে সোজা চলে গেলেন জামাইকার অদূরে নির্জনতম এক দ্বীপ--- গ্র্যান্ড কেম্যানে। এক সময় এই দ্বীপে জলদস্যুরা কেল্লা বানিয়ে থাকত। তখনও কয়েক জন দস্যু বিদ্যামন। ফলে সচরাচর কেউ ওই দ্বীপে যেত না। তাই নিশ্চিন্তে তিনি সেখানে কিছু দিন কাটালেন। কিন্তু কত দিন! সমুদ্র যাঁকে প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে তিনি চুপচপ বসে থাকেন কী করে! স্নোকামও পারলেন না।


ইনিশশো নয় সালের চোদ্দো নভেম্বর মার্থান ভাই নইয়ার্ড জেটি থেকে উত্তর আমেরিকার দিকে ভেসে চললেন তিনি। জাহাজ ছাডা়র সময় স্নোকাম নিজে পাইলটের হুইল ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর চোখেমুখে সে কী আত্মবিশ্বাস। স্বাস্থ্য সুঠাম। তাঁর ছেলে ভিক্টর পর্যন্ত বলল, বাবার এমন সুস্বাস্থ্য আমি আগে কখনও দেখিনি। বন্দরে বন্দরে তাঁকে দেখার জন্য আবার ভিড়। আবার অভ্যর্থনা। আবার উচ্ছ্বাস।


সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু কোথা থেকে যে কী হল! শান্ত সমুদ্র। অনুকূল আবহাওয়া। তবু পাড়ে দাঁড়িয়ে কেউ আর দেখতে পেল না স্প্রে কিংবা তার কর্ণধার স্বয়ং স্নোকামকে। সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে তাঁরা যে কোথায় পাড়ি জমালেন, কেউ তার হদিশ পেল না। একজন অভিজ্ঞ নাবিক বললেন, জাহাজ যেমনই হোক না কেন, যে জাহাজের ক্যাপ্টেন জোশুয়া স্নোকাম, সে সমুদ্রে জল না থাকলেও সে জাহাজ ঠিকই ভেসে যাবে। আর ঝড়তুফান, জলদস্যু, বিপদআপদ, সে সব তো তাঁর কাছে খেলনার বস্তু। সমুদ্রকে উনি নিজের হাতের তালুর থেকেও ভাল করে চেনেন। তা হলে কী হল তাঁর এবং তাঁর স্প্রে-র?


সমুদ্রের বুকে কি তাঁর জাহাজে আগুন লেগে গিয়েছিল! লাগলেও, তাঁর জাহাজে তো আগুন নেভাবার অত্যাধুনিক ব্যবস্থা ছিল! তবে! তবে কি ঝড়ের মুখে পড়েছিল! কিন্তু আবহাওযা দফতরের রিপোর্ট তন্নতন্ন করে অনুসন্ধান করেও সে রকম বড় কোনও ঝড়ের খবর তো পাওয়া যায়নি।

তা হলে কি দক্ষিণ আমেরিকায় যাবার নাম করে সবাইকে ফাঁকি দিয়ে তিনি আবার বিশ্বভ্রমণে বেরোলেন! তাই যদি হয়, তা হলে তো তাঁকে কোনও না কোনও বন্দরে ভিড়তে দেখা যাবে। খাবারদাবারের দরকার না হোক, পানীয় জলের জন্য তো তাঁকে কোনও না কোনও দ্বীপে নামতেই হবে। কিন্তু না, তাঁকে বা তাঁর জাহাজকে কোথাও দেখতে পাওয়া গেল না।


তবে কি রাতের অন্ধকারে দেখতে না পেয়ে বড় কোনও জাহাজ স্প্রেকে ধাক্কা মেরেছে! মারার সঙ্গে সঙ্গে উল্টে গিয়ে সেটা ডুবে গেছে! বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। কারণ, ওই জাহাজের চালক ছিলেন পৃথিবীখ্যাত কিংবদন্তি নাবিক স্বয়ং--- জোশুয়া স্নোকাম।


এই সময় এগিয়ে এলেন সামুদ্রিক কাহিনির সেরা লেখক আমেরিকার এডওয়ার্ড রো স্লো। তিনি নানা তত্ত্বতালাশ চালিয়ে এই ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লিখে ফেললেন--- মিস্টিরিয়স টেলস অব দ্য নিউ ইংলন্ড কোর্স্ট। তাতে তিনি লিখলেন, লেসার আন্টিলিস দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত টার্টল আইল্যান্ডের কাছে অরিনোকা নদীর মুখে পাঁচশো টনের একটি মেল স্টিমার স্প্রেকে সজোরে ধাক্কা মেরে শুধু স্প্রেকেই ডোবায়নি. স্প্রের সঙ্গে সঙ্গে স্নোকামকেও ডুবিয়ে দিয়েছে।


কেউ কেউ সে কথা বিশ্বাস করলেও বেশির ভাগ লোকই তা বিশ্বাস করলেন না। কারণ, ম্যাসাচুসেটসের গ্লস্টার শহরের নাবিকেরা স্নোকামকে বিদায় অভিনন্দন জানানোর সময় রাত্রিবেলায় জাহাজের পালটাকে আলোকিত করে রাখার জন্য একটি অতিব উজ্জ্বল আলো উপহার দিয়েছিলেন। যাতে বহু দূর থেকেই সবাই বুঝতে পারে স্প্রে আসছে। অবশ্য কোনও ত্রুটির জন্য যদি সেটা নিভে গিয়ে থাকে, তা হলে সেটা অন্য কথা। আসল কথা হল তার পর অনেক খোঁজটোজ করেও ওঁদের আর কোত্থাও পাওয়া যায়নি।


পরে অবশ্য শোনা গিয়েছিল, স্নোকামকে নাকি মাঝে মাঝেই অরিনেকো নদীতে, কখনও সখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিভিন্ন দ্বীপে স্প্রেকে নিয়ে ভাসতে দেখা যায়। কিন্তু সেটা যে কত দূর সত্য তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অন্য একজন আবার আর এক রকম কথা বলেছিলেন, তিনি বলেছিলেন, স্নোকামের বিবাহিত জীবন মোটেও সুখের ছিল না।


 স্ত্রীর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতেই গোপনে কোথাও তিনি লুকিয়ে আছেন। সে থাকতেই পারেন। কিন্তু কথা হল, ও রকম একটি নামজাদা জাহাজ এবং তার মতো একজন স্বনামধন্য নাবিকের পক্ষে কি খুব বেশি দিন কোথাও লুকিয়ে থাকা সম্ভব! যে কোনও বন্দর বা জেটির লোকই তো এক ঝলক দেখলেই তাঁকে চিনতে পেরে যাবেন। ঘিরে ধরবেন। এবং হু হু করে সে খবর লোকমুখ ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র। কিন্তু তা তো হয়নি। সুতরাং স্নোকামের অন্তর্ধান রহস্য চিরকাল রহস্যই রয়ে গেল। তার আর কোনও কিনারা হল না।


কিনারা হল না উনিশশো আটান্ন সালের ছয় জানুয়ারি নিখোঁজ হওয়া হারভে রেভোনক-এরও। এর মালিক ছিলেন সে সময়কার ক্রোড়পতি হারভে কনোভার। নিউইয়র্কের প্রকাশনা কনোভার-ন্যাসট পাবলিকেশন ইনক-এর তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্ট। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ইয়টিং’ এবং ‘অ্যাভিয়েশন এজ’ নামে দুটি পৃথিবী বিখ্যাত পত্রিকা প্রকাশিত হয়।


প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ছিলেন এয়ার কোরের একজন পাইলট। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বিমান-যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মিয়ামি থেকে ন্যাসো পর্যন্ত ইয়ট রেসে তিন-তিনবার জয়ী হয়েছিলেন। জাহাজ চালানোও ছিল তাঁর নেশা। তাঁর নিজস্ব বেশ কয়েকটি ইয়টও ছিল। ইয়ট মানে প্রমোদ তরণী। বিলাসবহুল প্রমোদ তরণী।


তাঁর সব চেয়ে প্রিয় ইয়টটির নাম দিয়েছিলেন নিজের নামের অক্ষরগুলোকে একটু এ দিক ও দিক করে--- হারভে রেভোনক। তাঁর ইয়টের মতো এত সুন্দর ও দ্রুতগামী ইয়ট আমেরিকায় তখন খুব কমই ছিল। লোকে ওটাকে বলতেন, সেফেস্ট অ্যান্ড ফাইনেস্ট ক্র্যাফট অ্যাফ্লোট। তবু ঘটে গেল অঘটন।


সে দিন ছিল বুধবার। সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার। ঝড়জলের কোনও পূর্বাভাস নেই। রেভোনকের যাত্রীরা ফ্লোরিডার কি-ওয়েস্ট জাহাজঘাটে জড়ো হয়েছেন। এসেছেন ইয়টের মালিক কনোভারের স্ত্রী ডরোথি, তাঁদের সাতাশ বছরের ছেলে লরেন্স আর তাঁদের দুই বন্ধু উইলিয়াম এবং মিসেস ফ্লুগেনম্যানস।


ইয়টে উঠেই মিসেস ফ্লুগেনম্যানস কেমন যেন অপ্রকৃতিস্থর মতো আচরণ করতে শুরু করলেন। তাঁর মনে হতে লাগল, এই ইয়টটা উল্টে যাবে। আর তা হলেই তাঁর সলিল সমাধী। ভয়ে তিনি এতটাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন যে ইয়েট থেকে তাড়াহুড়ো করে নেমে পড়লেন।


একটু পরেই দুই মাস্তুলওয়ালা ইয়ট সমুদ্রে গা ভাসিয়ে দিল। বুধবার কাটল। বৃহস্পতিবার কাটল। শুক্রবার কাটল। শনিবার পার হতে চলল। এই কয়েক দিনের মধ্যে যে কোনও বন্দর থেকে রেভোনকের খবর পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কোথাও কোনও খবর নেই। তা হলে কি এর মধ্যে গালফ স্টিমে যে উত্তাল ঝড় হয়েছিল, তাতেই কিছু হল!

কিন্তু তা-ই বা হয় কী করে! যে ঝড় উঠেছিল, তা এত মারাত্মক নয় যে, রেভোনকের মতো ইয়ট ডুবে যাবে। কারণ, এর চেয়েও মারাত্মক ঝড় এবং উত্তাল সমুদ্রে পড়েও পঁয়তাল্লিশ ফুট লম্বা এই ছিমছাম সুন্দর ইয়টটি প্রতিবারই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় ঠিক সময়েই ঠিক বন্দরে পৌঁছে গিয়েছিল। তা হলে!


চলবে  .....


বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১ - সিদ্ধার্থ সিংহ -- ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২ - সিদ্ধার্থ সিংহ -- ক্লিক করুন 

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ  -- ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন

 বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ  -- ক্লিক করুন

 বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন



সিদ্ধার্থ সিংহের পরিচিতি - ক্লিক করুন