Monday, December 9, 2019

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ


বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ১০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক  করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
Bangla sahitya
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ

তাদের জাহাজ না হয় বিপদের হাত থেকে বেঁচে গেছে। বাকি চারটে জাহাজের কী হাল? তারা তো পেছনে পেছনে আসছিল। পর দিন সকালে দূরবীন দিয়ে অনেকক্ষণ দেখার পরে একটা জাহাজকে কোনও রকমে নেশাগ্রস্থের মতো টলতে টলতে আসতে দেখা গেল। ব্যস। ওই পর্যন্তই। বাকি তিনটে জাহাজকে আর দেখতে পাওয়া গেল না। অনেক অনুসন্ধান করেও, সেই জাহাজগুলোর খোঁজ তো মিললই না, ঝড়ের তাণ্ডবে ডুবে গিয়ে থাকলে কোনও না কোনও চিহ্ন তো পাওয়া যেতই।




ছেঁড়া পাল কিংবা ডেকের মালপত্র অথবা মানুষের মৃতদেহ, নিদেন পক্ষে পানীয় জলের জারগুলো, অন্তত কচিনীলের একটা কাঠের পিপেও তো সাগরের জলে ভাসতে দেখা যেত! কিন্তু না। কিছুই পাওয়া গেল না। বোনিলার মনে হল, সমুদ্র বুঝি তাঁর তিন-তিনটে জাহাজকেই আস্ত গিলে ফেলেছে, অথবা অন্য কোনও গ্রহ থেকে কেউ বা কারা এসে তাঁর জাহাজগুলো ছিপ ফেলে টুক করে তুলে নিয়েছে।


একই ভাবে উধাও হয়ে গিয়েছিল পেট্রিয়টও। পেট্রিয়ট ছিল অত্যন্ত গ্রুতগামী জাহাজ। আকারেও বেশ ছোট। উপকূলের আশপাশেই ঘুরে বেড়াত। বেশি দূরে যেত না। ইংল্যান্ডের সঙ্গে যুদ্ধের সময় এটা দারুণ ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। কামান-টামান বসানো ছিল। ১৮১২ সালের একত্রিশে ডিসেম্বর সেই জাহাজটি ছেড়েছিল উইনিয়া উপসাগরের জর্জ টাউন বন্দর থেকে।


আরও অনেকের সঙ্গে এই জাহাজে ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি অ্যারন বার্ডের মেয়ে থিওডোসিয়া বার্ড অ্যালস্টন। তাঁর আরেকটা পরিচয় ছিল, তিনি সাউথ কারেলিনার গভর্নর জোসেফ অ্যালস্টনের বউ। অমন সুন্দরী নাকি সে অঞ্চলে আর দ্বিতীয়টি ছিল না। সে দিন আবহাওয়া খুব ভাল। পথে যদি কোনও সমস্যা না হয়, তা হলে মাত্র পাঁচ দিন পরেই নিউইয়র্কে পৌঁছনোর কথা জাহাজটির।
কিন্তু না, সে জাহাজ আর কোনও দিনও কোনও বন্দরে গিয়ে পৌঁছয়নি। 


মনে হল, জাহাজটি বুঝি ডানা মেলে উড়ে গেছে। কী হল তার ? জাহাজডুবি হলে সাগরের জলে বাক্সপ্যাটরা, কাঠকাঠরা, পোশাক-আশাক, এমনকী মৃতদেহ, কিছু না কিছু তো ভাসতে দেখা যেতই। কিন্তু অনেক অনুসন্ধান করেও কোনও কিচ্ছু পাওয়া গেল না। একেবারেই যে কিছু পাওয়া গেল না, তা নয়। ওই উধাও হওয়ার ঘটনার প্রায় তেইশ বছর পরে ১৯৩৫ সালে শোনা গেল প্রথম একটি কাহিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালবামা রাজ্যের ছোট্ট একটি শহর--- মবিল।



সেখানকার ছোট একটি সরাইখানার মালিক তখন তাঁর ঘরে মৃত্যুর দিন গুনছেন। তাঁর যে কী রোগ হয়েছে কেউ জানেন না। যে কোনও দিনই তিনি মারা যেতে পারেন। সারা শরীর জ্বরে পুড়ে যাচ্ছ। খাটের সঙ্গে মিশে গেছে শরীর। কঙ্কালসার চেহারা। মুখ-চোখ ঢুকে গেছে কোটরে। কী সব ভুলভাল বকছেন। মাঝে মাঝে উঠে বসবার চেষ্টা করছেন। আর চিত্‌কার করছেন, ওই তো, ওই তো সেই সুন্দরী চলে যাচ্ছে। তোমরা তাকে দেখতে পাচ্ছ না?


কার কথা বলছেন তিনি? কে এই মেয়েটি ? ডাক্তার যখন তাঁর নাড়ি দেখতে গেলেন, লোকটি তখন ডাক্তারের দু’হাত জড়িয়ে ধরে বললেন, ওই দেখুন, আবার ওই মেয়েটি আসছে। আমি আর পারছি না। আমাকে ওর হাত থেকে বাঁচান ডাক্তারবাবু।


শুধু ডাক্তারবাবুই নন, ওখানকার সবাই জানতেন এই লোকটি এখন যতই কাবু হয়ে যান না কেন, এক সময় দোর্দণ্ডপ্রতাপ জলদস্যু ছিলেন তিনি। সারা সমুদ্র দাপিয়ে বেরাতেন। সেই লোকের এমন দশা! নিশ্চয়ই ইনি হ্যালুসিনেশন দেখছেন। তবু ডাক্তারবাবু তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কাকে দেখছ তুমি? কাকে?

   
লোকটা কোনও রকমে বিড়বিড় করে বললেন, ওই যে আসছে থিওডোসিয়া... থিওডোসিয়া বার...   ডাক্তারবাবু আকাশ থেকে পড়লেন। লোকটা বলে কী! থিওডোসিয়া বার! সে তো কবেই হারিয়ে গেছে সমুদ্রের বুকে! তবে কি ইনি তাঁর ভূত দেখছেন! হতে পারে! কিন্তু তার সঙ্গে তোমার সম্পর্ক কী। তুমি কি তাকে চিনতে? উনি কাঁপা কাঁপা স্বরে বললেন, চিনলে কি আর আমাদের দল ওই জাহাজে চড়াও হত? যারা বাধা দিতে এসেছিল, তাদের খুনটুন করে, জাহাজে লুঠপাঠ চালিয়ে, যখন খুঁজছি, আর কী কী আছে, ঠিক তখনই দেখতে পাই ওই অপরূপ সুন্দরীকে।



এমনিতে আমরা সাধারণত মহিলা বা শিশুদের কখনও মারি না। কিন্তু যে একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি অ্যারন বার্ডের মেয়ে। আবার সাউথ কারেলিনার গভর্নর জোসেফ অ্যালস্টনের বউ, এটা জানার পর তাকে ছেড়ে দিই কী করে? সে বেঁচে ফিরে গেলে যে আমাদের সাড়ে সর্বনাশ। কিন্তু অমন একটা ফুটফুটে সুন্দরীকে হত্যা করবে কে?


কেউ এগিয়ে গেল না। তার আগেই দুটো নাবিককে তলোয়ার চালিয়ে টুকরো টুকরো করে এসেছি আমি। হাতে তখনও রক্তমাখা তলোয়ার। আমাকে দেখে সে ভয়ে কাঠ হয়ে গেল। কাকুতি-মিনতি করতে লাগল। কিন্তু তখন দয়াময়া আমার শরীরে আর একবিন্দুও ছিল না। আমি ঘ্যাচাৎ করে তলোয়ার চালিয়ে দিলাম। ওই যে দেখো, আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।


পায়ে পড়ে কেঁদেকেটে বলছে, আমাকে মেরো না, আমাকে ছেড়ে দাও। ওই যে দেখো, আমার মাথার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে... বলতে বলতে কোনও রকমে এক হাতে ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করতে গিয়েও ধপ করে বিছানার উপরে পড়ে গেলেন। আর উঠলেন না। ডাক্তার তাংর নাড়ী দেখে বুঝলেন, চিরজীবনের জন্য তাঁর নাড়ী স্তব্ধ হয়ে গেছে। এর পরে ডাক্তার অ্যালেক্স জোনসের মুখ থেকে এই কাহিনি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কেউ বিশ্বাস করল। কেউ হেসে উড়িয়ে দিল। কারণ, শুধু এই জলদস্যুই নয়, আরও অনেকে জলদস্যুই এ রকম স্বীকারোক্তি করে গেছেন একের পর এক।



ফরাসি জলদস্যু জিন ব্যাপটিস্ট ক্যালিস্টারও মৃত্যুশয্যায় বলেছিলেন, মঁসিয়ে শবের জলদস্যুযান ভেঞ্জেল-এর গোলন্দাজ ছিলাম আমি। আমরাই পেট্রিয়ট জাহাজটাকে তাড়া করে লুঠপাঠ চালিয়েছিলাম। লুঠের মালের সঙ্গে পেয়েছিলাম এক সুন্দরী মহিলাকে। যেমনি রূপ তেমনি তার তেজ। তাকে আমরা ধরে নিয়ে যাই গালফ অব মেক্সিকোতে। আমাদের আড্ডা গ্যালভেস্টনে। কিন্তু ওখানে সে কিছুই খেত না। সারাক্ষণ মন-মরা হয়ে পড়ে থাকত। দেখতে দেখতে তার চেহারার সেই জৌলুস হারিয়ে গেল। শরীর ভেঙে পড়ল। ওখানে যাওয়ার অল্প কিছু দিনের মধ্যেই সে মারা যায়। ওই দ্বীপেই আমরা তাকে কবর দিই।


মাটি খুঁড়লে এখনও তার কঙ্কাল পাওয়া যাবে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে এই দেখো... বলেই, তাঁর বালিশের তলা থেকে একটা সোনার লকটে বের করে দেখালেন তিনি। তাতে লেখা দুটি অক্ষর, টি আর এ। মানে 'থিওডোসিয়া' আর 'অ্যালস্টন' শব্দ দুটির অদ্যাক্ষর। লকেটের ভেতরে একটি বালকের ছবি। তত দিনে সবাই জেনে গিয়েছিলেন, থিওডেসিয়ার ছেলের কথা। যে খুব অল্প বয়সেই মারা গিয়েছিল। কিন্তু এই জলদস্যুর কথা জানাবেন কাকে? থিওডোসিয়ার  স্বামী যে শোকে-দুঃখে প্রায় পাগল হয়ে তাঁর স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার মাত্র তিন বছরের মাথাতেই ইহলোক ত্যাগ করেন!


ফ্যাংক বারডিকও ছিলেন একজন জলদস্যু। তিনি যখন বৃদ্ধ। মৃত্যুপথযাত্রী। তখন তিনিও স্বীকার করেছিলেন, থিওডোসিয়াকে তিনি-ই খুন করেছিলেন। একই রকম দাবি করেছিলেন মিশিগানের জল-ডাকাত ফ্রাঙ্ক পারডিকও। শুধু এঁরাই নন, এ রকম আরও অনেকেই অনেক সময় নানা রকম স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, থিওডোসিয়াকে নিয়ে।


কিন্তু সব থেকে চমকপ্রদ হল, জন হাওয়ার্ড পেইনের কথা। উনি একজন ভয়ানক জলদস্যু হলেও আদতে ছিলেন বিখ্যাত এক কবি। তাঁর ‘হোম সুইট হোম’ কবিতাটি শুধু পৃথিবীর অন্যান্য দেশেই নয়, এই ভারতেও সমান ভাবে সমাদৃত। উচ্চশিক্ষায় এখনও তাঁর লেখা পাঠ্য। তাঁরই একটি বিবৃতি পাওয়া যায় চার্লস্টন শহরের ‘নিউজ অ্যান্ড কুরিয়ার’ পত্রিকার ১৯৫৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সংখ্যায়। অ্যালবামা স্টেটের মন্টগোমারি শহরের আর্কাইভ থেকে একশো পঁয়তাল্লিশ বছরের পুরনো ফাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতে ফস্টার হেলি উদ্ধার করেন সেটি।


তাতে জানা যায়, জন হাওয়ার্ড পেইন আগের দিন রাত্রে প্রচণ্ড তুষারপাত ও প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য যখন একটুকরো আশ্রয় খুঁজছিলেন, তখন নাকি তিনি হঠাৎ শুনতে পান একটি পরিচিত গান। সেই গান লক্ষ্য করে একটি বারান্দায় পৌঁছে বুঝতে পারেন, গানটি তাঁরই লেখা। দরজার ফাঁক থেকে দেখতে পান কতগুলো কলেজ-পড়ুয়া তরুণ-তরুণী ফায়ার প্লেসের আগুন পোহাতে পোহাতে তাঁর সেই বিখ্যাত গানটি গাইছে। যে গানটি ইতিমধ্যেই সারা দেশে শুধু সাড়াই জাগায়নি, পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদও হয়ে গেছে।


যারা তাঁর গানটা গাইছে, সেই গানের গীতিকার স্বয়ং একটু আগুন পোহানোর জন্য তাদের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন, জানতে পারলে কি তারা তাঁকে একটু আশ্রয় দেবে না? তিনি কড়া নাড়িয়ে যখন নিজের পরিচয় দিলেন, তখন তাঁর কথা ওরা কেউই বিশ্বাস করল না। ওরা ভাবল, ইনি নিশ্চয়ই কোনও পাগল-টাগল হবে। তাই তাঁকে আগুন পোহাতে দেওয়া তো দূরের কথা, বাড়ির ভিতরেই ঢুকতে দিল না।


মুখের সামনে দরজা বন্ধ করে দিল। উনি তখন ওখান থেকে বেরিয়ে সোজা পথে নেমে এলেন। সে দিনের সেই প্রবল ঠান্ডায়, তুষারে ভিজে তিনি মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। মাঝে মাঝেই জ্ঞান হারাতে লাগলেন। জ্ঞান ফিরলেও প্রলাপ বকতে লাগলেন। সেই সব প্রলাপ থেকেই জানা গেল, তিনি থাকতেন উত্তর আফ্রিকার টিউনিস বন্দরে। ওটা ছিল জলদস্যুদের বড় একটা ঘাঁটি। সেখানকার পাহাড়ি গুহার মধ্যে তাঁরা থাকতেন। দলবল নিয়ে তিনি একদিন ঝাঁপিয়ে পড়েন পেট্রিয়ট জাহাজের ওপরে। জাহাজের ক্যাপ্টেন ওভারস্টক্স সহজেই আত্মসমর্পণ করেন।


তবুও জাহাজের সব পাইলট আর যাত্রীদের তাঁরা কেটে জলে ভাসিয়ে দেন। শুধু একজন মহিলাকে দেখে পেইনের মায়া হয়। জিজ্ঞেস করে জানতে পারেন, তার নাম থিওডোসিয়া বার্ড। তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবলেও তার পিতৃপরিচয় এবং স্বামীর নাম জানার পর ওঁরা তাকেও রেহাই দেননি। নিজেদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তার চোখ বেঁধে তলোয়ারের এক কোপে ধড় থেকে মুণ্ডুু আলাদা করে দেন। ও রকম খুন জীবনে অজস্র বার করলেও, থিওডোসিয়ার খুনের ঘটনাটা তিনি নাকি কিছুতেই ভুলতে পারেননি। সারা জীবন তাকে ওই ঘটনাটা তাড়া করে বেরিয়েছে।


চলবে  .....

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ১০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক  করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন