Saturday, December 7, 2019

বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ

বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ১০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক  করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
Bangla Sahitya
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব -  ৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ

লোকগুলো জানত, ক্যাপ্টেনের স্ত্রী-কন্যা ছাড়াও ওই জাহাজে আরও আট জন নাবিক আছেন। কিন্তু জাহাজে উঠে ওরা একজনেরও দেখা পেল না। তারা গেল কোথায়! তবে কি জাহাজে কোনও বিপদ-আপদ হয়েছিল! পরীক্ষা করতে গিয়ে ওরা দেখে, কোথাও কোনও গণ্ডগোল নেই। যান্ত্রিক কোনও ত্রুটিও নেই। জাহাজে যদি কোনও জলদস্যুরা আক্রামণ করত বা নাবিকরা যদি কোনও বিদ্রোহ করত, তা হলেও তার দু-একটা চিহ্ন পাওয়া যেত।


সঞ্চিত খাদ্য, পানীয় জল এবং জাহাজ বোঝাই ১৭০০ পিপে ভর্তি অ্যালকোহল, যা যা যেখানে থাকার কথা, সবই রয়েছে। এমনকী রান্না করা খাবারও রেডি। যেন এক্ষুনি তারা খেতে বসবেন। কেউ বোধহয় দাড়ি কাটতে যাচ্ছিল, ক্ষুর ও সাবান আয়নার সামনে সাজানো রয়েছে। কেউ বোধহয় ওষুধ খেতে যাচ্ছিল। ওষুধের শিশিটার ছিপি খোলা। পাশে জলের গেলাস। ক্যাপ্টেনের স্ত্রী হয়তো সেলাই করছিলেন।


সেলাইকলে একটি বাচ্চার মোজা লাগানো। মেসিনে ঢালার জন্য পাশেই একটি পাত্রে কিছু তেলও রাখা আছে। সেলাই করার সময় আঙুলে পরার একটি ধাতবের টুপিও দেখতে পাওয়া গেল। জাহাজের ডেকে কিছু জামাকাপড় মেলা। শুকোতে দেওয়া হয়েছে। জাহাজের মেট সম্ভবত তার ঘরে বসে একটা কাগজে হিসেব লিখছিল, অর্ধেক হিসেব করা কাগজটিও উদ্ধার হল। সব দেখে শুনে তাদের মনে হল, জাহাজে কোনও গণ্ডগোল হয়নি। ঝড়জলের মধ্যেও পড়েনি জাহাজ। তা হলে কি জাহাজের নাবিকরা বিদ্রোহ করে ক্যাপ্টেন-সহ তার স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছে!


তল্লাশি করে দেখা গেল, ক্যাপ্টেনের ঘরে ক্যাপ বাক্স কেউ স্পর্শ পর্যন্ত করেনি। একটা বাক্সে ক্যাপ্টেনের বউয়ের কিছু গয়না ছিল, সেগুলিও কেউ ছোঁয়নি। অর্ধেক তামাক খাওয়া পাইপগুলো পর্যন্ত টেবিলের ওপরে রাখা। যেন এক্ষুনি ঠোঁট থেকে কেউ নামিয়ে রেখেছে। আর নাবিকেরা যদি বিদ্রোহই করে থাকে, তা হলে তারা যাবার সময় জাহাজটা নিয়ে গেল না কেন?


খুঁজতে খুঁজতে ক্যাপ্টেনের ঘরে খাপ-বন্ধ একটা তলোয়ার পাওয়া গেল। তার গায়ে রক্তের দাগের মতো কী যেন একটা। কিন্তু কেউ বলতে পারল না, ওটা রক্তের দাগ, না মরচের দাগ। জাহাজের রেলিংয়ের একটি জায়গায় কুঠার দিয়ে আঘাত করার চিহ্ন দেখা গেল। তবে সেটা জাহাজে মাল তোলার সময় ধাক্কা লেগে হয়েছে কি না কেউ বলতে পারল না।


ক্যাপ্টেনের টেবিলে জাহাজের লকবুক পাওয়া গেল। তাতে চব্বিশ নভেম্বর পর্যন্ত সব লেখা আছে। একটি পাতায় ২৫ নভেম্বর ১৮৭২-এর সকাল অবধি কী সব লেখা। কিন্তু মেরিসেলিসট তো দেখা গিয়েছিল ৫ ডিসেম্বর। তার মানে মাঝের এই দশটা দিনের কোনও খবর নেই।


লকবুক থেকে জানা গেল জাহাজটির অবস্থান ছাব্বিশ ডিগ্রি ছাপ্পান্ন ইঞ্চি নর্থ ল্যাটিচিউড এবং সাতাশ ডিগ্রি কুড়ি ইঞ্চি পশ্চিম সঙ্গিচিউডে। অথচ জাহাজটি পাওয়া গিয়েছিল তিরিশ ডিগ্রি কুড়ি ইঞ্চি নর্থ ল্যাটিচিউড এবং সতেরো ডিগ্রি পনেরো ইঞ্চি পশ্চিম সঙ্গিচিউডে। তার মানে শুধু ভাসতে ভাসতেই চারশো কুড়ি মাইল চলে এসেছিল জাহাজটি। কিন্তু এটা কি বিশ্বাস করার কথা?


পরে, ওরা জাহাজটিকে চালিয়ে জিব্রালটারে নিয়ে যায়। সে সময় এই নিয়ে প্রচুর জল ঘোলা হয়েছিল। নানা লোক নানা কথা বলেছিল। কিন্তু সে সব প্রমাণিত হওয়ার আগেই ১৮৮৫ সালে বার্মুদা ট্র্যাঙ্গেলের নীচে কিউবা উপকূলে ধাক্কা লেগে জাহাজটি টুকরো টুকরো হয়ে যায়।


এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে অজস্র রহস্য কাহিনি লেখা হয়েছে। ১৮৮৪ সালের জানুয়ারি সংখ্যায় ‘দ্য কর্নহিল’ পত্রিকার পাতায় এই মেরিসেলিসটকে নিয়ে ‘জে হ্যাবাকুক জেফসনস স্টেটমেন্ট’ নামে একটি রহস্য কাহিনি লিখে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান আর্থার কনান ডায়াল। সে কাহিনি অন্য।


এর পাশাপাশি হঠাৎ বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিল কিউবার জাহাজ রবিকন’ও। আচমকা তাকে দেখতে পাওয়া যায় ফ্লোরিডার কিছু দূরে। সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায়। উনিশশো চুয়াল্লিশ খ্রিস্টাব্দে। তখন অনেকেই আশা করেছিলেন, এ বার হয়তো একটা কারণ খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু জাহাজে গিয়ে দেখা গেল মানুষের কোনও চিহ্নই নেই। শুধু মরে পড়ে আছে একটা কুকুর।


বহু দিন আগে হারিয়ে যাওয়া ইয়াকট কেইনমারি নামের আর একটি জাহাজকেও পাওয়া যায় এই একই অবস্থায়। উনিশশো পঞ্চান্ন সালে। বার্মুদার প্রায় চারশো মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে।


উনিশশো ঊনপঞ্চাশ সালের সতেরো জানুয়ারি সকাল পৌনে আটটা নাগাদ ব্রিটিশ সাউথ আমেরিকান এয়ারওয়েজ কোম্পানির এয়ার লাইনার স্টার এরিয়াল-এর উড়ে যাওয়ার কথা চিলির সান্টিয়াগোয়। মাঝখানে শুধু জামাইকার কিংস্টনে একবার থামবে। যাত্রী সংখ্যা তেরো। ক্রুু সাত জন। বার্মুদা ছাড়ার আগে ভাল করে দেখে নেওয়া হল সব ঠিকঠাক আছে কি না।


পুরো তেল থাকা সত্ত্বেও রিজার্ভ ট্যাঙ্কেও তেল নিয়ে নেওয়া হল। প্লেন ছাড়ার পঁচিশ মিনিটের মাথায় বার্মুদা টাওয়ারে নিয়মমাফিক ভেসে এল ওই বিমানের ক্যাপ্টেন জে সি মাকফির বেতারবাতা--- খুব ভাল আবহাওয়া। আমরা ঠিক সময়েই কিংস্টনে পৌঁছব আশা করছি।


কিন্তু না। তিনি আর কোনও দিনই কিংস্টনে পৌঁছননি। পৌঁছয়নি তাঁর সেই বিমানও। মাঝপথ থেকে তেরো জন যাত্রী আর সাত জন ক্রু-সহ আস্ত একটা বিমান কোথায় যে উধাও হয়ে গেল, কেউ তার খোঁজ পেলেন না।


তখন ওখানে মহড়া দিচ্ছিল ইউ এস নেভির টাস্ক ফোর্স। নির্দেশ পাওয়া মাত্র ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা অনুসন্ধান শুরু করল| সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য সমস্ত জায়গা আঁতিপাঁতি করে খুঁটিয়ে দেখল তারা। সাধারণত কোনও বিমান সমুদ্রে পড়লে, বিমানের দুই দিকের দুই ডানার ভিতরে থাকা দুটি লাইফবোট তৎ‌ক্ষণাত বেরিয়ে এসে জলে ভাসার কথা। কিন্তু অনেক খুঁজেও লাইফবোট তো দূরের কথা, তাদের কোনও ভাঙা অংশও দেখতে পাওয়া গেল না।


এত ভাল আবহাওয়া, তার উপরে দক্ষ পাইলট থাকা সত্ত্বেও কোথায় উবে গেল স্টার এরিয়াল? ভুতুড়ে কাণ্ড কী? এর পরেই কোনও এক অজ্ঞাত কারণে দক্ষিণ আমেরিকার ওই রুট থেকে সেই বিমান কোম্পানি তাদের সমস্ত বিমান তুলে নেয়। চালাতে থাকে পৃথিবীর অন্যান্য জায়গায়। এবং অবাক কাণ্ড, সেই সব বিমান অত্যন্ত খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও নাকি দারুণ চলছে। কোথাও কোনও গণ্ডগোলের খবর নেই। তা হলে ওই বিমানে হঠাৎ কী হয়েছিল?


কী হয়েছিল মার্কিন নৌবাহিনির পাঁচ-পাঁচটি অ্যাডভেঞ্চার বোমারু বিমানের? উনিশশো পঁয়তাল্লিশের পাঁচই ডিসেম্বর। পরিষ্কার ঝকঝকে আকাশ। আমেরিকার লাউডার এল নাভাল বিমান বন্দর থেকে উড়ে গেলেন ওরা। রুটিন মাফিক প্রশিক্ষণে।


আর মাত্র মিনিট পনেরো পরেই নেমে আসবেন। কিন্তু এ কী! হঠাৎ বিপদবার্তা এসে কড়া নাড়ল বিমান বন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে। লেফটেন্যান্ট চার্লস টেলরের গলায় দম বন্ধ হয়ে আসা আতঙ্ক--- আমরা বোধহয় নির্দিষ্ট পথ থেকে সরে এসেছি। মাটি দেখতে পাচ্ছি না। বুঝতে পারছি না কোনটা কোন দিক। সব কিছুই কেমন যেন উল্টোপাল্টা ঠেকছে। এমনকী সমুদ্রটাকেও আর সমুদ্রের মতো লাগছে না। মনে হচ্ছে আমরা যেন...


টেলর সাহেব তাঁর তারবার্তা শেষ করতে পারেননি। রহস্যজনক ভাবেই হারিয়ে গেল চোদ্দো জন আরোহী-সহ পাঁচ-পাঁচটি বিমানই। ওঁদের খুঁজতে তেরো জনের উদ্ধারকারী একটি দল সঙ্গে সঙ্গে দ্রুতগামী একটা বিমান নিয়ে পাড়ি জমাল আকাশে। কিন্তু হায়! সবাইকে হতবাক করে দিয়ে তাঁরাও বিমানসমেত বেমালুম উধাও হয়ে গেল। এঁদের খুঁজে বার করতে মার্কিন নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী যৌথ ভাবে নাকি এক বিশাল ব্যায়বহুল তল্লাশি চালায়।


গোটা পৃথিবী জুড়ে তখন এটাই ছিল একমাত্র ব্রেকিং নিউজ। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন, ব্যাপারটা কী, তা জানার জন্য। এই ঘটনাটাই নাকি বিশ্বে সব চেয়ে বেশি শোরগোল ফেলেছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও, এটার আর কোনও কূলকিনারাই পাওয়া যায়নি। না বিমানের, না বিমানযাত্রীদের|। অগত্যা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল সেই তদন্ত কমিটি।


এখন নয়, বার্মুদা ট্র্যাঙ্গেলে এই রহস্যের ঘনঘটা বহু বছর আগে থেকেই চলছে। ১৪৯২ সালে ক্যানারি আইল্যান্ড থেকে তিনটি জাহাজ নিয়ে ভারত আবিষ্কারের আশায় কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করে, তার দেখাদেখি আরও অনেক নাবিক জাহাজ নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন পৃথিবীর নানা দিকে। দেশ আবিষ্কারের নেশায়। ঘুরতে ঘুরতে বার্মুদা ট্র্যাঙ্গেলেও এসেছিলেন বেশ কয়েক জন। তখন এই অঞ্চলে প্রবাল দ্বীপের সংখ্যা প্রায় তিনশোর মতো।


তার মধ্যে মাত্র খান কুড়ি দ্বীপে কেবল লোক বাস করত। চার-পাঁচশো বছর আগে নাকি ওই দ্বীপগুলিকে সবাই এড়িয়ে চলত। কারণ, লোকের মুখে মুখে রটে গিয়েছিল, ওই দ্বীপগুলি নাকি খুব খারাপ। অশুভ আত্মারা ঘুরে বেড়ায়।


দিনের বেলায় যেমন হঠাৎ হঠাৎ জলদস্যুদের কবলে পড়ে সর্বস্য খোয়াতে হয়, বেঘরে দিতে হয় প্রাণ, তেমনি রাত্রিবেলায় ওখানে নাকি ঘুরে বেড়ায় নানা রকম অপদেবতা। তারা শুধু লুটপাঠ বা প্রাণ নিয়েই ক্ষান্ত হয় না, মুহূর্তের মধ্যে সব একেবারে হাপিস করে দেয়। এ ছাড়াও কখন যে জলের তলা থেকে ভয়ঙ্কর জলজন্তু উঠে এসে এক নিমেষে গ্রাস করে নেবে পুরো জাহাজটাকে, কেউ তা আগাম বলতে পারে না।



চলবে ........................



বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ  - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ -  ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য - পর্ব - ১০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক  করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৪ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৫ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৬ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৭ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৮ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ১৯ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২০ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২১ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২২ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন
বার্মুদা রহস্য -- পর্ব - ২৩ - সিদ্ধার্থ সিংহ - ক্লিক করুন