Thursday, October 3, 2019

গৌরী এল ঘরে // সবিতা কুইরী

গৌরী এল ঘরে   //  সবিতা কুইরী


গৌরী এল বাপের বাড়ি ক্লান্ত এখন খুব
ভেবেছিলেন আসবেন একা সব কে দিয়ে ডুব।

পঞ্চমী তে মন্দিরেতে একটু ফাঁকা রয়
ঘরের কথা ফাঁকা দেখে পুরোহিত কে কয়।

আসব একা ভেবেছিলাম জানো ঠাকুর মশাই?
গতিয়ে দিলেন ছেলে পুলে, তিনি এমন কশাই।

গেল বছর বাচ্চাগুলো জ্বালিয়ে ছিল এমন
ভেবেছিলাম আসব রেখে লাগবে তখন কেমন।

গনশা টা তো ভীষণ পেটুক যে যা দিল থালে
হ্যাংলা এমন চারটি হাতে চেটেপুটে খেলে।

মেয়ে দুটির পূজা নিতে ছিল না মোটে মতি
ধূপ ধূনাতে তাদের নাকি গিয়েছিল জ্যোতি।

তাই তো তারা এধার ওধার প্যন্ডেলে তে ঘোরে
পাছে মানুষ দেখে ফেলে মরেছি আমি ডরে।

সাদাসিধে কার্তিককে ভেবেছিলাম আমি
তার গল্প শুনলে ঠাকুর ভিরমি খাবে তুমি।

ময়ূর টাকে একা রেখেই পালিয়ে গেছে কখন
ভক্তের ঢল দলে দলে লেগে গেছে তখন।

সুন্দর তার চেহারা বলে সেলফি নিবে তাই
চোখ কচলে খুঁজেছিল কিন্তু তিনি নাই।

বুদ্ধি করে লাইট গুলো নিভিয়ে দিলাম যখন
ঠিক সময়ে কার্তিক টা এসে গেল তখন।

অত বড় তাগড়া ব্যাটা অসুরটাকে মেরে
বাপের বাড়ি আসি একটু বিশ্রামের তরে।

তাই আমি বললাম এবার স্বামী মহাদেবে
যাচ্ছি একা বাপের বাড়ি বাচ্চাদের সামলাবে।

সিদ্ধি গাঁজা ভাঙ খেয়ে এমন গেলেন রেগে
ঘোড়াটাকে সঙ্গে নিয়ে গেলাম আমি ভেগে।

এসেই আমি  দাড়িয়ে দেখি মন্দির প্রাঙ্গণে
ছেলেমেয়ে সঙ্গে বাহন দাড়িয়ে অঙ্গনে ।

রেগে একা এলে আমি হয়ে যেতাম দোষী
কচিকাঁচা সঙ্গে নিয়েই চারটি দিনের খুশি।